
থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুরাসান্ত কংসিরি জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে ৪ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেনা ও পুলিশ স্থানীয়দের স্থানান্তরে কাজ করছে।
এদিকে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যালি সোচিয়েতা জানান, দেশটির পাঁচটি প্রদেশ থেকে মোট ১ লাখ ১ হাজার ২২৯ জন নাগরিককে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
দুই দেশের মধ্যে ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যার ‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেল’ বা পান্না ত্রিভূজ অঞ্চলই উত্তেজনার কেন্দ্র। প্রাচীন মন্দিরসমৃদ্ধ এ এলাকা উভয় দেশই নিজেদের দাবি করে আসছে। ফরাসি ঔপনিবেশিক আমল থেকে শুরু হওয়া এই বিরোধ শত বছরের পুরোনো।
২০২৪-এর মে মাস থেকে উত্তেজনা আবার বাড়তে থাকে। গত জুলাইয়ের শেষদিকে দুই দেশের সেনাদের পাঁচ দিনের সংঘর্ষে ৪৮ জন নিহত হন ও ৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। পরে যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়।
চার মাস শান্ত থাকার পর গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) আবারও থাই সি সা কে প্রদেশে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।